বাংলার সাদী ডটকমে আপনাকে স্বাগতম!

www.banglarsadi.com-একটি বিয়ে সংক্রান্ত সেবামূলক ওয়েবসাইট। বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলার বসবাসরত ও বিদেশে থাকা প্রবাসী অবিবাহিত পাত্র/পাত্রীর সন্ধানদাতা বা মিডিয়া হিসেবে সেবা প্রদানের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যাতে করে সমগ্র বাংলাদেশের সকল অবিবাহিত পাত্র/পাত্রীকে একই ফ্রেমে আনার প্রচেষ্টা মাত্র। এখন অনলাইনের যুগ। তাই সকলেই সব ধরণের সেবা পেতে অনলাইনে সার্চ করে। আর এই চিন্তা চেতনা থেকেই- বাংলা সাদী ডট কম এই ওয়েবসাইট নিয়ে এসেছে আপনার হাতের কাছেই। এখন আপনি ইচ্ছে করলেই আপনার ঘরে বসেই আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনটি বা কম্পিউটারের মাধ্যমে খুঁজে পেতে পাড়েন আপনার পছন্দের পাত্র/পাত্রী। আর তাই দেরী না করে এখনই আপনার প্রোফাইল খুলুন। আর খুঁজতে থাকুন আপনার পছন্দের জীবন সঙ্গীকে।

বাংলার সাদী ডট কম সম্পর্কে নিজে জানুন ও অন্যকে জানান। যদি আপনি অথবা আপনার পরিবারের অন্য কোন সদস্য উচ্চশিক্ষা শেষে প্রতিষ্ঠিত হবার পরেও যদি উপযুক্ত পাত্রীর সন্ধান না পাওয়ার কারণে বিয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে থাকেন তবে আপনার জন্য বেষ্ট অপশন হচ্ছে অনলাইনে বা অফলাইনে www.banglarsadi.com -এ ফ্রিতে রেজিষ্ট্রেশন করুন আর ঘরে বসেই আপনি আপনার চাহিদা অনুযায়ী পাত্র/পাত্রীর প্রোফাইল/ছবিসহ বায়োডাটা দেখে পাত্র/পাত্রী কিংবা তাদের অভিভাবকদের সাথে সরাসরি নিজেরাই যোগাযোগ করতে সক্ষম হবেন। এবং তা অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে। আমাদের ওয়েবসাইটে থাকছে অসংখ্যা ধরণের প্রোফাইল। এখানে পাবেন ভিবিন্ন প্রফেশন ক্যাটাগরির পাত্র/পাত্রী। যেমন: ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাংকার, বিসিএস অফিসার, ব্যবসায়ী ও যে কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার সরকারী ও বেসরকারী চাকুরীজীবি এবং আরও পাবেন যে কোন ধর্মালম্বীর পাত্র/পাত্রী-যেমন: মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ এবং যে কোন বয়সের অবিবাহিত বা ডিভোর্সেড পাত্র/পাত্রী এবং বাংলাদেশের যে কোন জেলা ও উপজেলার অধিবাসী এবং বিদেশে থাকা অন্যান্য দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী পাত্র/পাত্রী।

বিয়ে সম্পর্কে কিছু কথা না বললেই নয় :

বিবাহ মহান আল্লাহ তায়ালার এক বিশেষ নিয়ামত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত। আদর্শ পরিবার গঠন, মানুষের জৈবিক চাহিদা পূরণ এবং মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান উপকরণ হচ্ছে বিয়ে। যা প্রত্যেক মানুষের স্বভাবজাত চাহিদা। এ চাহিদা পূরণার্থেই ইসলামি শরীয়ত বিয়ের হুকুম আরোপ করেছে।

বিয়ে শুধু জৈবিক চাহিদা মেটানোর জন্য নয়, বরং একটি মহান ইবাদতও বটে। বিবাহ দ্বারা ইহ ও পরকালীন কল্যাণ সাধিত হয়। বিবাহের মাধ্যমে জিনা-ব্যাবিচারের মতো বড় বড় গোনাহ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। নৈতিক চরিত্রের উন্নতি ঘটে। বংশ পরম্পরা অব্যাহত থাকে। সুখময় সমাজ ও আদর্শ পরিবার গঠন সম্ভব হয়। মানসিকভাবে দেহ-মন সুস্থ থাকে। মনে প্রশান্তি আসে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক গভীর হয়। সর্বোপরী ইহ ও পরকালীন কল্যাণ লাভ হয়।

যুবক যুবতীদের চরিত্র গঠনের অন্যতম উপাদান হলো বিয়ে। বিবাহের দ্বারা মানবজাতি কে লিভ-টুগেদারের মতো মহা অভিশাপের হাত থেকে রক্ষা করতে বৈধভাবে যৌন চাহিদা পূরণের জন্যই মহান রাব্বুল আলামিন বিবাহের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাপ্তবয়স্ক ও সামর্থ্যবান হলে কালবিলম্ব না করে বিবাহ করা প্রতিটি মুসলমান এর ঈমানি দায়িত্ব। আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেককে ইসলামি অনুশাসন মেনে বিবাহ করার মাধ্যমে সুন্দর সমাজ বিনির্মানের তাওফিক দান করুন।

আদর্শ বর/কনে নির্বাচন

বিবাহ নর-নারীর সারা জীবনের জন্য একটা পবিত্র বন্ধন। কাজেই বিয়ে ঠিক করার আগেই বরপক্ষ ও কনেপক্ষ উভয়ের উচিত উত্তমরূপে দেখে ও জেনে-শুনে বর-কনে নির্বাচন করা। কারণ ঠিকমতো বর-কনে নির্বাচন করার উপরেই বর-কনের ভবিষ্যৎ জীবনের মনের মিল ও সুখ শান্তি নির্ভর করে। আর এ বিষয়ে ভুল হলে সে বিয়ের ফল স্থায়ী হয় না। আর জোর করে স্থায়ী রেখে জোড়া-তালি দিয়ে সংসার যাত্রা শুরু করলেও তাদের জীবনে প্রকৃত সুখ ও শান্তি আসে না।

বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বে সর্বপ্রথম লক্ষ্য করতে হবে সমতা। সমতা কথাটার অর্থ অবশ্য অত্যান্ত ব্যাপক। অর্থাৎ এর অনেকগুলো শাখা-প্রশাখা রয়েছে। যথা-বয়সের সমতা, শারীরিক গঠন সমতা, শরীরের রংয়ের সমতা, বংশগত সমতা, শিক্ষা-দীক্ষার দিক দিয়ে সমতা, পরিবেশের সমতা ইত্যাদি। অবশ্য এইসব বিষয়ের মধ্যে অল্প কিচু অসামাঞ্জস্যতা থাকলে তাতে বিশেষ কিছু আসে-যায় না। কিন্তু বিরাট ব্যবধান থাকা কিছুতেই বাঞ্জনীয় নয়। যেমন:-একজন অশিক্ষিত ছেলের হাতে একজন শিক্ষিতা মেয়েকে তুলে দিলে তাদের মধ্যে যেমন মনের মিল হতে পারে না, ঠিক তেমনি একজন শিক্ষিত ছেলের হাতে একটা অশিক্ষিত মেয়েকে তুলে দিলে তাদের মধ্যেও মনের মিল হতে পারে না।

বয়সের দিক নিয়েও বর-কনের সমতার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। অবশ্য-বর-কনের বয়সের মধ্যে ৮/১০ বছরের ব্যবধান তো থাকাই স্বাভাবিক। তবে ক্ষেত্রবিশেষে এর দুই চার বছর কম বা বেশি হওয়াও তেমন কোন দোষের কথা নয়।

কিন্তু ষাট বছরের বৃদ্ধের সাথে আঠারো বছরের বয়স্ক মেয়ে বা পঞ্চাশ বছর বয়স্কা মেয়ের সাথে পঁচিশ বছরের বয়স্ক যুবকের বিয়ে হলে তাদের কারোরই জীবন সুখময় হতে পাড়ে না। আমরা অনেক স্থানেই দেখেছি শুধুমাত্র বর-কনে নির্বাচনে বিচক্ষণতার অভাবে অর্থাৎ সমতা রক্ষার বা না হবার কারণে অনেক বিয়ে স্থায়ী হয়নি। অথবা জোড়াতালি দিয়ে কোনরূপে স্থায়ী রাখলেও তাদের মধ্যে প্রকৃত প্রেম ও সুখ শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। একজন তরুন যুবকের পক্ষে কোন বৃদ্ধাকে বিয়ে করা কিছুতেই সমীচীন নয়। কেননা, বৃদ্ধার সাথে যুবকের সঙ্গম কিছুতেই আনন্দদায়ক হতে পাড়ে না। ঠিক অনুরূপভাবে একজন বৃদ্ধের পক্ষে কোন তরুনী যুবতীকে বিয়ে করা কিছুতেই উচিত নয়।

কাজেই বিয়ে ঠিক করার আগে বরপক্ষ ও কনেপক্ষ উভয়েরই উচিত উত্তমরূপে দেখে ও জেনেশুণে বর-কনে নির্বাচন করা। কারণ ঠিকমত বর-কনে নির্বাচন করার উপরেই বর-কন্যার ভবিষ্যৎ জীবনের মনের মিল ও সুখ শান্তি নির্ভর করে। আর এ বিষয়ে ভুল হলে সে বিয়ের ফল স্থায়ী হয় না। আর জোর করে স্থায়ী রেখে জোড়াতালি দিয়ে সংসার যাত্রা শুরু করলেও তাদের জীবনে প্রকৃত সুখ ও শান্তি আসে না।

আর তাই বাংলার সাদী ডট কম এই কাজটাই করে যাচ্ছে যাতে করে একজন পাত্র/পাত্রী তার জীবন সঙ্গীকে সঠিক ভাবে ঠিক করে নিতে পাড়ে। এখানে অসংখ্যা প্রোফাইল দেখে যার যার যোগ্যতা অনুযায়ী পাত্র/পাত্রী বেছে নেওয়ার সুন্দর একটা মাধ্যম হলো বাংলার সাদী ডট কম। জীবন একটাই আর একটি সুখী ও সুন্দর জীবনের জন্য চাই একজন সুন্দর মনের মানুষ।

অসংখ্যা প্রোফাইল দেখে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে নিজেই আজই www.banglarsadi.com- সার্ভিসে প্রোফাইল খুলুন আর নিজেই পাত্র/পাত্রী খুঁজুন এবং তাদের অভিভাবকের সাথে মোবাইলে বা সরাসরি যোগাযোগ করুন। অথবা আপনার ভালো লাগার কথা আমাদেরকে জানান, আমরা আপনার ভালো লাগার কথা জানিয়ে দিব আপনার পছন্দের পাত্র/পাত্রীকে অথবা আপনার সিভি পাঠিয়ে সরাসরি সাক্ষাত করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবো। বাংলার সাদী ডট কম এর টিম আছে সবসময় আপনার পাশে।

এই ওয়েবসাইট কিভাবে ব্যবহার করবেন ও শর্তাবলী সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের ওয়েব পেইজের নীচে Terms and Condition পেজ-এ গিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন। ধন্যবাদ সকলকে। ভালো থাকবেন।
বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন

www.banglarsadi.com

প্রধান অফিস: 188/সি, আর.কে মিশন রোড, সদর, ময়মনসিংহ।

মোবাইল: 01913-569414, 01710-516538